প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া: কারণ, লক্ষণ ও সম্পূর্ণ প্রতিকার

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া সমস্যা দূর করার কার্যকরী ঘরোয়া ও চিকিৎসা উপায় জানুন। গর্ভবতী ও সাধারণ মানুষ উভয়ের জন্য কার্যকর পরামর্শ।

ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া সম্পর্কে জানুন

হ্যালো, প্রিয় পাঠকগণ! আজ আমরা একটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব – "প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া"। এটি এমন একটি অবস্থা যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে। কল্পনা করুন, আপনি আপনার দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত, কিন্তু প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাপোড়া অনুভব করছেন। অথবা রাতে বারবার প্রস্রাব করতে উঠতে হচ্ছে এবং প্রতিবারই অস্বস্তি হচ্ছে। এমন অবস্থায় কী করবেন?

এই ব্লগ পোস্টে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার কারণ, লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে। বিশেষ করে, আমরা ফোকাস করব "প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কেন হয়", "গর্ভবতীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ" এবং "ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকার" এই টপিকগুলোতে। এছাড়া, আমরা জানাব কীভাবে আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বলে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।

দ্রুত সংক্ষেপ: এই ব্লগ পোস্টে আপনি যা শিখবেন: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার কারণ ও লক্ষণ, ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকার, গর্ভবতীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ, কখন ডাক্তারের সাহায্য নেবেন এবং কীভাবে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে ঘরে বসে চিকিৎসা নেবেন।

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার কারণসমূহ

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, যাকে মেডিক্যাল টার্মে ডিসুরিয়া বলা হয়, এটি সাধারণত ইউরিনারি ট্র্যাক্টে প্রদাহ বা সংক্রমণের কারণে হয়। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট বলতে কিডনি, ইউরেটার, মূত্রথলি ও ইউরেথ্রাকে বোঝায়। মূলত তিনটি বড় কারণ রয়েছে:

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার প্রধান কারণসমূহ

  • ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI): সবচেয়ে সাধারণ কারণ। বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। কারণ মহিলাদের ইউরেথ্রা সংক্ষিপ্ত, ফলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত প্রবেশ করতে পারে
  • কিডনিতে পাথর বা স্টোন: কিডনি বা মূত্রথলিতে পাথর থাকলে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হয়। এছাড়া পাথরের আকার বা অবস্থানের ওপরও এই ব্যথার তীব্রতা নির্ভর করে
  • গর্ভাবস্থায় হরমোন ও চাপ: গর্ভাবস্থায় জরায়ু কিডনি ও মূত্রথলির উপর চাপ ফেলে। এছাড়া হরমোনের পরিবর্তনও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়
  • অন্যান্য কারণ: ডায়াবেটিস, যৌনবাহিত রোগ, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার লক্ষণসমূহ

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার লক্ষণগুলো সাধারণত ধীরে ধীরে শুরু হয়। প্রথমে হালকা অস্বস্তি, তারপর তীব্রতা বাড়ে। আসুন একটা গল্প দিয়ে বোঝাই। আমার এক রোগী বললেন, "সকালে উঠে প্রস্রাব করতে গিয়ে দেখি জ্বালাপোড়া হচ্ছে, দুপুরে আরও বেড়ে গেল।" এটা ক্লাসিক লক্ষণ।

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার সাধারণ লক্ষণসমূহ

  • প্রস্রাবের সময় জ্বালা বা পুড়নের অনুভূতি
  • ছোট ছোট পরিমাণে বারবার প্রস্রাব হওয়া
  • প্রস্রাবে রঙ বা দুর্গন্ধ পরিবর্তন
  • পেটে হালকা ব্যথা বা চাপের অনুভূতি
  • তলপেটে ব্যথা বা অস্বস্তি
  • প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া
  • জ্বর বা শরীরের অস্বস্তি - যদি ইনফেকশন হয়
  • গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অস্বস্তি

সতর্কতা: যদি প্রস্রাবে রক্ত থাকে, প্রচণ্ড ব্যথা হয় বা জ্বরসহ শীতাপাত অনুভূত হয়, তা জরুরি চিকিৎসার নির্দেশ। এমন ক্ষেত্রে ডা. রোমানুল ইসলাম এর সাথে অনলাইন কনসালটেশন নেওয়া উচিত।

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার ঘরোয়া উপায়

প্রাকৃতিকভাবে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পেতে এই ঘরোয়া উপায় চেষ্টা করুন

💧

পর্যাপ্ত পানি পান

প্রতিদিন ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রস্রাবে ব্যাকটেরিয়া ধোয়ার কাজে সাহায্য করে

🍹

ক্র্যানবেরি জুস

ক্র্যানবেরি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফেকশন উপাদানযুক্ত। প্রতিদিন ১ গ্লাস ক্র্যানবেরি জুস UTI প্রতিরোধে সহায়ক

🥗

ডায়েট নিয়ন্ত্রণ

মসলা, চিনি, কফি ও অ্যালকোহল সীমিত করুন। এগুলো মূত্রথলির জ্বালাপোড়া বাড়ায়

🔥

গরম পানির সেক

গরম পানি বা হালকা হিটিং প্যাড পেটের নীচের অংশে বসানো ব্যথা কমায়

🌿

প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফেকশন

ক্র্যানবেরি, দই, জলকুমড়া, শসা, লেবু, গোলমরিচ কম ব্যবহার করে হালকা খাবার

গর্ভবতীদের জন্য বিশেষ যত্ন

গর্ভাবস্থায় জরায়ু কিডনি ও মূত্রথলির ওপর চাপ ফেলে। হরমোন পরিবর্তনও মূত্রথলির সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। একজন গর্ভবতী রোগীর গল্প: তিনি গর্ভাবস্থায় বারবার প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া অনুভব করতেন। তাহলে করণীয় কী?

গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি
  • কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন
  • প্রস্রাবের ধরন ও রঙ খেয়াল রাখুন
  • হঠাৎ জ্বর, প্রস্রাবে রক্ত বা প্রচণ্ড ব্যথা হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন
  • পরিষ্কার ও শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন
  • নিয়মিত প্রস্রাব করুন; প্রস্রাব টালাবেন না

গুরুত্বপূর্ণ: গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবে সংক্রমণ সময়মতো চিকিৎসা না করলে কিডনি সংক্রমণ ও অন্যান্য জটিলতা হতে পারে। ডা. রোমানুল ইসলাম এর টেলিমেডিসিন সেবা গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

প্রতিরোধ ও জীবনধারার পরিবর্তন

প্রতিরোধই সেরা। নিয়মিত প্রস্রাব করুন; প্রস্রাব টালাবেন না। তেঁতুল, লেবু বা অতি খাটনাদার খাবার কম খেতে চেষ্টা করুন। প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফেকশন খাবার যেমন ক্র্যানবেরি, দই, এবং হালকা সবজি অন্তর্ভুক্ত করুন। পরিষ্কার ও শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

  • নিয়মিত প্রস্রাব করুন; প্রস্রাব টালাবেন না
  • তেঁতুল, লেবু বা অতি খাটনাদার খাবার কম খেতে চেষ্টা করুন
  • প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফেকশন খাবার যেমন ক্র্যানবেরি, দই, এবং হালকা সবজি অন্তর্ভুক্ত করুন
  • পরিষ্কার ও শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য
  • প্রস্রাবের পর সামনে থেকে পিছনে মুছুন
  • যৌনমিলনের পর প্রস্রাব করুন

কখন ডাক্তারের সাহায্য নেবেন?

যদি লক্ষণ ২-৩ দিনের মধ্যে না কমে, উচ্চ জ্বর, প্রস্রাবে রক্ত, পিঠের ব্যথা বা প্রচণ্ড ব্যথা হয় – তাহলে অবশ্যই। শিশু, বয়স্ক বা ক্রনিক রোগীদের ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি। গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

জরুরি লক্ষণসমূহ

  • প্রস্রাবের সাথে রক্ত দেখা যায়
  • উচ্চ জ্বর, শীতাপাত ও পিঠের ব্যথা
  • ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, যা ঘুম বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে
  • গর্ভাবস্থায় উপরের লক্ষণগুলো দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা অপরিহার্য
  • ব্যথা এত তীব্র যে দৈনন্দিন কাজ করতে অসুবিধা হয়
  • লক্ষণ বারবার ফিরে আসলে

এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে ডা. রোমানুল ইসলাম এর অনলাইন ডাক্তার সার্ভিসের মাধ্যমে দ্রুত পরামর্শ নিন।

লেখক পরিচিতি

ডা. রোমানুল ইসলাম স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট প্রস্তুতকারক। এই লেখাগুলো সাধারণ স্বাস্থ্য সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত।

এই আর্টিকেলটি চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। বিস্তারিত জানতে ডিসক্লেইমার দেখুন।

আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিস: কেন চয়েস করবেন?

আমাদের সার্ভিস আপনাকে দেয়: বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ২৪/৭ অ্যাক্সেস, ভিডিও, চ্যাট বা অডিও কনসালটেশন, সাশ্রয়ী মূল্য এবং ফ্রি পরামর্শ, প্রেসক্রিপশন, ল্যাব টেস্ট অর্ডার এবং ফলোআপ, প্রাইভেসি এবং সিকিউরিটি।

এখনই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন

২৪/৭ ডাক্তার পরামর্শ

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বলুন

ঘরে বসে চিকিৎসা

হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়ার ঝামেলা ছাড়াই চিকিৎসা সেবা পান

সাশ্রয়ী মূল্য

সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন

ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন

অনলাইনেই প্রেসক্রিপশন পান এবং ওষুধ অর্ডার করুন

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

প্রশ্ন ১: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কি? +
উত্তর: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হল প্রস্রাব করার সময় পুড়নের বা তীব্র অস্বস্তির অনুভূতি। সাধারণত ইউরিনারি ট্র্যাক্টে সংক্রমণ, পাথর বা অতিরিক্ত অম্লের কারণে হয়।
প্রশ্ন ২: মহিলাদের মধ্যে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বেশি কেন হয়? +
উত্তর: মহিলাদের ইউরেথ্রা ছোট হওয়ায় ব্যাকটেরিয়া সহজে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া গর্ভাবস্থা ও হরমোনের পরিবর্তনও সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রশ্ন ৩: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কি সবসময় সংক্রমণের লক্ষণ? +
উত্তর: না, কখনও এটি কিডনি বা মূত্রথলির পাথর, মশলা বা কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়াতেও হতে পারে। সংক্রমণ হলে সাধারণত জ্বর, ঘন ঘন প্রস্রাব ও ব্যথা থাকে।
প্রশ্ন ৪: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কমানোর সহজ ঘরোয়া উপায় কি? +
উত্তর: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা, হালকা খাবার খাওয়া, ক্র্যানবেরি জুস গ্রহণ এবং হালকা হিটিং প্যাড ব্যবহার ঘরোয়া উপায়।
প্রশ্ন ৫: প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে কি করা উচিত? +
উত্তর: যদি প্রস্রাবে রক্ত থাকে, তা ইউরিনারি ট্র্যাক্টের গুরুতর সমস্যা বা পাথরের লক্ষণ হতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
প্রশ্ন ৬: গর্ভবতীদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে কি করা উচিত? +
উত্তর: গর্ভবতীরা অ্যান্টিবায়োটিক বা যে কোনো ওষুধ নিজের মতো নেওয়া উচিত নয়। পর্যাপ্ত পানি, হালকা খাবার এবং ডাক্তারি পরামর্শ নিতে হবে।
প্রশ্ন ৭: ক্র্যানবেরি জুস কতটা কার্যকর? +
উত্তর: ক্র্যানবেরি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফেকশন উপাদানযুক্ত। এটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে, বিশেষ করে UTI প্রতিরোধে কার্যকর।
প্রশ্ন ৮: কফি বা মশলা প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বাড়ায় কি? +
উত্তর: হ্যাঁ, অতিরিক্ত মশলা, কফি, চিনি ও অ্যালকোহল মূত্রথলির জ্বালাপোড়া বাড়ায়। সংক্রমণ বা সংবেদনশীলতা থাকলে এগুলো কমানো উচিত।
প্রশ্ন ৯: শিশুদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে কি করণীয়? +
উত্তর: শিশুরা এই সমস্যা বলতে জানাতে পারবে না। ঘন ঘন কান্না, প্রস্রাবের সময় চিৎকার বা রঙ/দুর্গন্ধ পরিবর্তন হলে পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
প্রশ্ন ১০: কিডনির পাথরের কারণে কি সবসময় জ্বালাপোড়া হয়? +
উত্তর: না, ছোট পাথর প্রায়ই কোনও লক্ষণ ছাড়াই থাকে। বড় পাথর হলে প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাপোড়া, পিঠের ব্যথা বা রক্ত দেখা দিতে পারে।
প্রশ্ন ১১: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কতদিন থাকে? +
উত্তর: সাধারণত হালকা সংক্রমণে ২–৩ দিনের মধ্যে কমে আসে। চিকিৎসা না হলে বা সংক্রমণ গুরুতর হলে সপ্তাহ বা মাস ধরে থাকতে পারে।
প্রশ্ন ১২: ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া কি সবসময় খারাপ? +
উত্তর: ঘন ঘন প্রস্রাব UTI, ডায়াবেটিস বা অতিরিক্ত পানি পানজনিত কারণে হতে পারে। যদি জ্বালাপোড়া, রঙ পরিবর্তন বা ব্যথা থাকে, ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।
প্রশ্ন ১৩: প্রস্রাবে দুর্গন্ধ হলে কি করণীয়? +
উত্তর: প্রস্রাবে দুর্গন্ধ সাধারণত সংক্রমণ বা খাদ্যের কারণে। পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা খাবার ও প্রয়োজনে চিকিৎসক দেখানো দরকার।
প্রশ্ন ১৪: গর্ভাবস্থায় কেন সংক্রমণ বেশি হয়? +
উত্তর: গর্ভাবস্থায় জরায়ু কিডনি ও মূত্রথলির ওপর চাপ ফেলে। হরমোন পরিবর্তনও মূত্রথলির সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রশ্ন ১৫: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে কি ব্যথানাশক খাওয়া যায়? +
উত্তর: হালকা পেইন রিলিভার (যেমন প্যারাসিটামল) সাধারণত নিরাপদ। তবে গর্ভবতী বা দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন ১৬: অ্যান্টিবায়োটিক কতদিন খেতে হয়? +
উত্তর: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা জরুরি। সাধারণত ৩–৭ দিন, সংক্রমণের তীব্রতা ও ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
প্রশ্ন ১৭: হঠাৎ প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কেন হয়? +
উত্তর: হঠাৎ সংক্রমণ, পাথর সরানো বা সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, কোনো খাবারের কারণে বা শারীরিক চাপের ফলে হতে পারে।
প্রশ্ন ১৮: প্রস্রাবে ঘন ঘন বারবার যাওয়া স্বাভাবিক কি? +
উত্তর: যদি জ্বালাপোড়া, রঙ বা ব্যথা না থাকে, তবে এটি সাধারণত স্বাভাবিক। তবে সংক্রমণ বা ডায়াবেটিস হলে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়।
প্রশ্ন ১৯: প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফেকশন খাবার কোনগুলো? +
উত্তর: ক্র্যানবেরি, দই, জলকুমড়া, শসা, লেবু, গোলমরিচ কম ব্যবহার করে হালকা খাবার।
প্রশ্ন ২০: ব্যথা কমাতে কি হিটিং প্যাড কার্যকর? +
উত্তর: হ্যাঁ, গরম পানি বা হিটিং প্যাড নীচের পেটে বসানো ব্যথা ও অস্বস্তি কমায়।
প্রশ্ন ২১: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া নিয়মিত হলে কি সমস্যা হতে পারে? +
উত্তর: দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ কিডনি ক্ষতি, মূত্রথলির প্রদাহ বা স্টোনের সৃষ্টি করতে পারে।
প্রশ্ন ২২: জল বেশি খাওয়া কি সবসময় সাহায্য করে? +
উত্তর: হ্যাঁ, পর্যাপ্ত পানি ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে ফেলে। তবে হৃদরোগ বা কিডনি সমস্যায় সীমিত পানির পরামর্শ প্রযোজ্য।
প্রশ্ন ২৩: গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবে রক্ত হলে কি করা উচিত? +
উত্তর: ডাক্তারি জরুরি। এটি ইউরিনারি ট্র্যাক্টে সংক্রমণ বা পাথরের লক্ষণ হতে পারে।
প্রশ্ন ২৪: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া নিয়ন্ত্রণে ডায়েটের গুরুত্ব কত? +
উত্তর: খুব বেশি। মশলা, অ্যালকোহল, চিনি কমানো, পানি ও হালকা খাবার সংক্রমণ কমায়।
প্রশ্ন ২৫: কখন ফলোআপ বা টেলিমেডিসিন পরামর্শ নেওয়া উচিত? +
উত্তর: জ্বর, প্রচণ্ড ব্যথা বা রক্ত থাকলে, গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে, শিশুদের ক্ষেত্রে বারবার সংক্রমণ হলে।
প্রশ্ন ২৬: সংক্রমণ হলে কি ঘরোয়া ওষুধ কাজে লাগবে? +
উত্তর: হালকা ক্ষেত্রে ঘরোয়া যত্ন কাজ করতে পারে। তবে UTI বা গুরুতর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক জরুরি।
প্রশ্ন ২৭: প্রস্রাবে ব্যথা কমানোর ব্যায়াম আছে কি? +
উত্তর: হালকা হাঁটাহাঁটি বা নরম স্ট্রেচিং পেটের চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
প্রশ্ন ২৮: প্রস্রাব টালানো কতটা ক্ষতিকর? +
উত্তর: প্রস্রাব টালানো সংক্রমণ ও ব্যথা বাড়ায়। নিয়মিত প্রস্রাব ভালো।
প্রশ্ন ২৯: গর্ভাবস্থায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কি নেওয়া যায়? +
উত্তর: পর্যাপ্ত পানি, হালকা খাবার, পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার এবং নিয়মিত ডাক্তারি চেকআপ।
প্রশ্ন ৩০: দীর্ঘমেয়াদি প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে কি কিডনিতে সমস্যা হয়? +
উত্তর: হ্যাঁ, নিয়মিত সংক্রমণ কিডনি ক্ষতি, স্টোন বা প্রদাহ ঘটাতে পারে। তাই দ্রুত চিকিৎসা জরুরি।
WhatsApp